Breaking News

বৈশাখে মিষ্টি মুখ

গৃহসজ্জা, পোশাকের আয়োজন, অতিথি আপ্যায়ন, সব কিছুই থাকছে। আর অতিথি আপ্যায়নে খাবার-দাবারের তো নানা আয়োজন থাকছেই। আর সেই আয়োজন যদি একটু মিষ্টিমুখ না হয় তাহলে তো আপনার ষোলআনাই মিছে হয়ে যাবে। আর আপনার অতিথি আপ্যায়নে যেনো এই কমটি না থাকে তাই আজ আমাদের আয়োজনে আপনাদের জন্য থাকছে বিভিন্ন পদেরত মিষ্টি। আসুন তাহলে জেনে নেই, কিছু মিষ্টি তৈরির রেসিপি।

রসমালাই :
উপকরণ : ১ কাপ গুঁড়া দুধ, ৩টি ডিম, এক-চতুর্থাংশ কাপ বেকিং পাউডার, ১ কেজি দুধ, আধা কাপ চিনি, কাজু বাদাম ও পেস্তাবাদাম প্রয়োজনমতো।

প্রণালি : একটি বাটিতে গুঁড়া দুধ, ডিম ও বেকিং পাউডার মেশান এবং মিশ্রণটি ভালোভাবে দলাই-মলাই করুন এবং ৩০ মিনিট এটিকে আলাদা রাখুন। এরপর মিশ্রণগুলো থেকে ছোট মার্বেলের মতো বল তৈরি করুন হাতের তালুতে। এবার একটি পাত্রে দুধ ফুটান এবং সবুজ এলাচ ও চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চিনি সম্পূর্ণ মিশে গেলে মার্বেলের মতো বলগুলো ছেড়ে দিন এবং অল্প আঁচে ৫-৭ মিনিট রাখুন, তারপর কাজু বাদাম ও পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন রসমালাই।

সন্দেশ :
উপকরণ :(ছানার জন্য) সম্পূর্ণ ক্রিম দুধ দেড় লিটার, (রসের জন্য) সম্পূর্ণ ক্রিম দুধ ২ লিটার, চিনি (রস তৈরি করার সময় যোগ করা হবে) ১ কাপ, মিহি ময়দা আধা কাপ, চিনি (আমরা দলিত মালকড়ি রান্না করা, শেষে যোগ করা হবে) ৫ টেবিল চামচ

প্রণালি : ছানা তৈরি করুন এবং ছানা ৪ ঘণ্টার জন্য দম দিয়ে রাখুন, ছানা সম্পূর্ণ শুষ্ক হওয়া পর্যন্ত। এবার ময়দা ও রস মিশিয়ে ব্যাচ করুন এবং হাত দিয়ে চটকান ২০ মিনিট পর্যন্ত। তারপর ননস্টিকি প্যানে মিশ্রণটি রাখুন এবং গ্যাসের চুলায় অল্প আঁচে জ্বালান। মিশ্রণটি ক্রমাগত নাড়তে থাকুন ১৫ মিনিট। এভাবে একসময় মিশ্রণটি একদম শুকিয়ে যাবে। এরপর গ্যাসের চুলা বন্ধ করুন। এবার মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করতে দিন। পুরোপুরি ঠাণ্ডা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হালকা গরম থাকবে। এবার হাত অথবা ছাঁচে ফেলে গোল অথবা চারকোনা করে নিয়ে চেপে বিভিন্ন শেপে আনুন। সন্দেশ এখন ভঙ্গুর থাকবে; কিন্তু পুরোপুরি ঠাণ্ডা হতে হবে। এটি ঠাণ্ডা হলে ১৫ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

গোলাপ জাম :
উপকরণ : গুঁড়া দুধ ৫ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, বেকিং সোডা ১/৮ চা চামচ, ডিম ১টি, ডুবো তেলে ভাজার জন্য ২ কাপ তেল।

সিরাপের জন্য : চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়া ১/৮ চা চামচ পরিমাণ মতো।
প্রণালি : একটি সস প্যানে সিরাপ বানানোর জন্য সব উপকরণ দিয়ে রাখুন এবং চুলার আঁচ মাঝারি রাখুন। এরপর চিনি ঘন হয়ে আসা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। তারপর চুলা বন্ধ করুন। এবার একটি বাটিতে গুঁড়া দুধ, ময়দা, বেকিং সোডা মেশান। তারপর একটি ডিম মেশান এবং ভালোভাবে মিক্সড করুন। মাখানো মিশ্রণ থেকে ১০টি একই রকম বল তৈরি করুন। বলগুলো দেখে এখন ছোট মনে হলেও সিরাপে ডোবানোর পর বলগুলো আরো বড় আকারের দেখতে হবে। বলগুলো ভাজতে থাকুন যতক্ষণ না মসৃণ হয় এবং নিশ্চিত করতে হবে যেন কোথাও কোনো ভাঙাচোরা না থাকে। এরপর একটি গভীর পাত্রে দুই কাপ তেল দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন অল্প করে। তৈরিকৃত বলগুলো কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে ডুবো তেলে ছাড়ুন। বলগুলো চারদিকে হালকা বাদামি রঙ ধারণ করলে বলগুলো ঘুরিয়ে দিন যেন সব জায়গায় একই রকম রঙ হয়। এরপর বলগুলো সুবর্ণ বাদামি হলে সেগুলোকে ছিদ্রযুক্ত চামচ দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার আগে তৈরি করা সিরাপটি চুলার ওপর হালকা আঁচে বসান এবং তার ভেতর গোলাপ জামগুলো ছেড়ে দিন। আস্তে আস্তে আপনার তৈরি জামগুলো দেখতে সুন্দর ও নরম হবে। তারপর একটি সার্ভিং ডিশে নামিয়ে দিন জামগুলো এবং জামগুলোর উপর সিরাপ ছড়িয়ে দিন। সুন্দর করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু গোলাপ জাম।

কুনাফা :
উপকরণ : লাচ্ছা সেমাই ১ প্যাকেট, মাখন সিকি কাপ (গলানো), তরল দুধ সিকি কাপ, ছানা দেড় কাপ, কনডেন্সড মিল্ক ৩ টেবিল চামচ, ক্রিম ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপের ৩ ভাগের ২ ভাগ, কমলার রস ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, চেরি বা বাদাম কুচি সাজানোর জন্য, ফুড কালার ১ ফোঁটা (কমলা বা যেকোনো)।
প্রণালি : চিনি পানি দিয়ে জ্বাল দিয়ে হালকা আঠালো হলে কমলা ও লেবুর রস দিয়ে শিরা তৈরি করে রাখুন। অন্যদিকে, সেমাইতে মাখন ও ধাপে ধাপে দুধ মিশিয়ে নিন যেন সেমাই দলা না পাকিয়ে যায়। হাত দিয়ে সেমাই ঝুরি ঝুরি করে নিন। এবার ছানা ভালোমতো ময়ান দিয়ে মিহি করে তাতে কনডেন্সড মিল্ক ও ক্রিম মিশিয়ে নিন। একটি প্যানে কিছু মাখন ও ফুড কালার ব্রাশ করুন চারপাশে। এবার প্রথমে সেমাইয়ের ১ ইঞ্চি পুরু একটা স্তর করুন। এ সময় প্যানের ভেতরে ধারগুলোতেও সেমাইয়ের স্তর দিন। এবার ছানার পুর দিন। ভালোমতো চেপে চেপে বসিয়ে দিন। সবশেষে আবার সেমাইয়ের স্তর দিয়ে চেপে চেপে ওভেনে ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে বেক করুন ৩০ মিনিট। নামিয়ে পরিবেশনের প্লেটে নিয়ে ওপরে শিরা ঢেলে দিন। এবার সাজিয়ে পরিবেশন করুন কুনাফা।

ছানার সন্দেশ :
উপকরণ : ছানা ২ কাপ, ব্রাউন সুগার পরিমাণ মতো, সাদা চিনি ১ চা-চামচ, মাখন ২ টেবিল চামচ, ক্রিম ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ, হোয়াইট কুকিং চকলেট আধা কাপ (কোরানো), তরল দুধ ১ টেবিল চামচ ও ডার্ক কুকিং চকলেট পরিমাণমতো।

প্রণালি : চুলায় ছানা ও মাখন দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে নিন। এতে ব্রাউন সুগার ও সাদা চিনি দিয়ে ভুনতে থাকুন। এবার ক্রিম দিয়ে মিষ্টি পরখ করে নামিয়ে একটি গোলাকার পাত্রে পুরু করে চেপে চেপে বিছিয়ে দিন। ঠাণ্ডা হলে বরফি বা অন্য আকারে সন্দেশ কেটে নিন। এবার হোয়াইট চকলেট ও দুধ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে কিছুক্ষণ দিয়ে গলিয়ে নিন। এটি সন্দেশের ওপর ঢেলে দিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ডার্ক চকলেট একইভাবে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গলিয়ে ওপরে দিয়ে পরিবেশন করুন।

কমলাভোগ :
উপকরণ : (মিষ্টির জন্য) : দুধ (স্কিম মিল্ক বা ফ্যাট ফ্রি হলে ভালো হয়) ২ লিটার, কমলার রস ২ কাপ, সিরকার ও পানির মিশ্রণ ১ কাপ (প্রয়োজন হলে), জাফরান প্রয়োজন অনুযায়ী, বেকিং পাউডার আধা টেবিল চামচ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, সুজি ১ টেবিল চামচ, অরেঞ্জ এসেন্স ২ ফোঁটা (না দিলেও চলবে), জাফরানি রং সোয়া চা-চামচ, লবঙ্গ (প্রতিটি মিষ্টির জন্য) ১টি করে।

(শিরার জন্য) : চিনি ৩ কাপ, পানি ৫ কাপ, এলাচ গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি : ৪ কাপ পানির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিন। ঘন হয়ে এলে আরও ১ কাপ পানি দিয়ে জ্বাল দিন। শিরার ঘনত্ব বুঝে চুলা বন্ধ করে দিন। একটি প্যান বা হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। দুধের হাঁড়ি আর নাড়াবেন না। পুরু সর পড়লে তা সাবধানে দুধ থেকে উঠিয়ে ফেলুন। পুনরায় মাঝারি আঁচে দুধ জ্বাল দিন। একবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে অল্প অল্প করে কমলার রস দিন। দুধে দই বা ছানা ভাব এলে বুঝবেন সিরকার মিশ্রণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ছানা দুধ থেকে আলাদা না হলে সিরকা দিতে হবে এবং দুধ ও ছানার পানি আলাদা হয়ে গেলে ঝাঝরিতে ছেঁকে নিতে হবে। সুতি বা মসলিন কাপড়ে ছানা নিয়ে গিঁট মেরে ঝুলিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন ছানা যেন বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

এবারে একটি ট্রেতে ছানা নিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট মথে মসৃণ করে নিন। ছানার মধ্যে একটা ভেজা ভেজা ভাব থাকবে। আরও মসৃণ করতে চাইলে একটু ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। তারপর এটি ১০-১৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব মনে হলে দুই-এক চা-চামচ ময়দা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মথে নিন। এই ডো থেকে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। গোল আকৃতির মিষ্টি তৈরি করে তার মাঝখানে আঙুল চেপে একটু ছোট গর্তের মত তৈরি করুন। প্রতিটি মিষ্টির গর্তে একটি করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। কয়েকটি পেস্তা কুচি লবঙ্গের চারপাশে দিয়ে ফুলের মতো তৈরি করুন। মিষ্টির চারপাশে একটু একটু করে জাফরানের রেণু ছিটিয়ে দিন। সাবধানে সাজাতে হবে যেন ফেটে না যায়। এবার কিচেন টাওয়েল দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন।

চিনির শিরায় এলাচ গুঁড়া দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে এই শিরাতে একটি একটি করে কমলাভোগ ছেড়ে দিন। কড়াই বা হাঁড়ি আলতোভাবে এ পাশে ওপাশে ঘুরিয়ে ভারী ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে কড়া আঁচে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। আরও ৫-১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে চুলা বন্ধ করে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢাকনা খুলে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

তথ্য ও ছবি : ইন্টারনেট

About admin

Check Also

Gratis hardcoreporn filmer smoking – watch free porn online mature milf

Sex Asiatiske kjrlighet dating site asiatiske dating nettsteder toronto Her beskrives alt webcam sex live …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *