কোভিড-১৯ সংক্রমণের অতিমাত্রা নতুন নতুন ‘মিউট্যান্ট ভাইরাস’এর উদ্ভবের কারণ হতে পারে

ডেল্টা স্ট্রেইন ( Strain ) থেকে জন্ম নিতে পারে অন্যান্য Strain এবং Sub-strain যাহারা হতে পারে :

-অধিক প্রাণঘাতী / Lethal
-আরও বেশী সংক্রামক
-অত্যধিক তীব্রতার traits অর্জন
-খারাপ ধরনের জেনেটিক বিবর্তন
-ইত্যাদি

একমাত্র সমাধান “শূন্য সংক্রমণ”

  • মানে হলো মানুষ থেকে মানুষে ভাইরাস যেন না ছড়ায় সেভাবে প্রত্যেক মানুষকে প্রতি মিনিটে সতর্ক থাকতে হবে
  • এটা হতে পারে রাস্তায়, বাসে, ট্রেনে, বাজারে, দোকানে, অফিসে এমনকি বাসায়
  • সর্বতোভাবে সব সময়ে সব জায়গায় স্বাস্হ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে যার কোন বিকল্প নাই

আসুন সবাই মিলে ভাইরাস কে বোকা বানাই ।
আমরা বোকা না হই !!!

ভ্যাকসিন বা টিকা দেওয়ার পর শরীরে অর্জিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ভাইরাসের গঠনের বুদ্ধিদীপ্তভাবে পরিবর্তন বা মিউটেশন যা পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দিবে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে।

SARS-CoV-2:
কোভিড -১৯ রোগ এর কার্যকারক এজেন্ট যা একটি ভাইরাস ও রোগ সৃস্টির জন্য দায়ী
এবং
এর নতুন ভেরিয়েন্টের ( variant) বা স্ট্রেন (Strain) এর ক্রমান্বিত উত্থান বা বংশবৃদ্বি যাহারা জেনেটিক্স বিবর্তনের ফসল বা ফলাফল ।

নতুন নতুন variants বা strains বা sub-strains এবং এদের Types বা Sub-Types এর উৎপত্তির উৎস বা বিবর্তন বন্দ করার উপায়গুলো :

  • নতুন নতুন সংক্রমণ অবশ্যই বন্দ করা
  • শরীরের ভিতরে ভাইরাসের বংশবৃদ্বি বা প্রতিলিপিকরন বন্দ করা (ইন-ভিভো) যা হতে পারে টিকা দেওয়ার মধ্যদিয়ে বা কোভিড-১৯ এর সম্ভাব্য পরিপূরক / সম্পূরক চিকিৎসার মাধ্যমে । মনে রাখতে হবে এ রোগের সঠিক চিকিৎসা নাই ।
  • সর্বব্যাপী টিকা দিতে হবে ও ব্যাপক হারে
  • অল্প সময়ের মধ্যে ৭৫% – ৮০% জনগনের টিকা সম্পন্ন করতে হবে
  • আক্রান্ত রোগীদের সম্পূন্ন আলাদা রাখা
  • রোগীদের সংস্পর্শে আসা সবাইকে আলাদা করে রাখা কমপক্ষে ১৮ – ২১ দিন
  • ইত্যাদি ইত্যাদি ।

ভাইরাসের বুদ্ধিমান মিউটেশনগুলির উচ্চ সম্ভাবনার সব পথ বন্দ করতে হবে ।
অবিরত ও অবিচ্ছিন্ন ভ্যাকসিন গবেষণা ও টিকার আধুকায়ন চালু রাখতে হবে ।

সবার জন্য করনীয় :

  • দয়া করে বুদ্ধিমানের মতো চলুন ।
  • অতিরিক্ত ও প্রবল প্রচার প্রচারনা, জনসাধারণ্যের গোচরীভূত বা অবহিত করার ব্যবস্হা করা যার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষকে এ রোগের প্রতিরোধের উপায় ও পথগুলো শিখিয়ে দেওয়া ও পালন করতে বাধ্য করা
  • কমপক্ষে ৬ -৭ ফুট দূরত্ব বা একজন থেকে আরেকজন ৬ -৭ ফুট দূরে থাকুন ।
  • ঘরের বাহিরে অবশ্যই মাস্ক পড়ুন ।
  • এ রোগের প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো সবাই মাস্ক ব্যবহার করা এবং তা হতে হবে ১০০%
  • ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচ্ছন্নতা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা
  • কোভিড ১৯ এর প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যবিধি এবং সঠিক জৈব-সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখা

“জৈব-সুরক্ষা বা জৈব-নিরাপত্তা ব্যবস্থা” বলতে কি বুঝায় তা বিস্তারিত জেনে ও বুজে নিন কোনও বই থেকে বা internet থেকে

  • টিকা নিন, টিকার জোগান ও সরবরাহ সহজলভ্য হওয়ার সাথে সাথে নিজে টিকা নিন এবং অন্যকে টিকা নিতে বাধ্য করুন
  • ভাইরাসটিকে নির্বোধ ও বোকা বানিয়ে দিন শূন্য (ZERO) সংক্রমণের চেষ্টা করে এবং সংক্রমণের পথগুলি ভেঙে দিন ও প্রতিবন্ধকতা তৈরী করুন সাথে সাথে সংক্রমণের সংবেদনশীলতা কমিয়ে ফেলুন
  • মনে রাখতে হবে এটা সমস্টিগত কাজ, কোন একক মানুষের কাজ না ।

এই মহামারীটি পুরোপুরি নির্মুল করুন, আংশিকভাবে নির্মুল হলে রোগটি ENDEMIC হয়ে যাবে যা দেশভেদে বা অঞ্চলভেদে নিয়মিত রোগের রূপ ধারন করবে যেটা আমাদের সভ্যতার জন্য হুমকি।

এনডেমিক রোগ (endemic disease) : কোনও রোগ বা অবস্থার নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট মানুষের মধ্যে বা নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে পুন পুন সংক্রমন হওয়া এবং পাওয়া যায়

“দয়া করে এখনই কাজ করুন ও নিয়ম মেনে চলুন”

“এক পৃথিবী / এক বিশ্বের” জন্য নিজেকে নিযুক্ত রাখুন ও চেস্টা অব্যহত রাখুন

One World We Can All Together We Can Do

“মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সাহায্য করুন”

লেখক: মো: গোলাম মাসুদ

About S Chowdhury

Check Also

১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘোষণা জাপানের

আগামী অর্থবছরের জন্য ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন দিয়েছে জাপানের পার্লামেন্ট। মহামারীর প্রভাব কাটিয়ে ওঠাসহ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *